প্রথম খণ্ড আমরা হোটেলের সবচেয়ে বড় রুমটাই নিয়েছিলাম। রুমে চারটা বেড, মানুষ আমরা নয় জন। এটাচড বাথরুম একটা। এক্ষেত্রে একটা সমস্যা হয়, কে কার আগে বাথরুমে যাবে। সারাদিন ঘুরাঘুরির পর আমাদের সবারই গোসল করতে হবে। এবং প্রত্যেকে গোসল করতে গড়ে সাত মিনিট করে লাগলে নয় জনের একঘণ্টারও বেশি। তবে সবাই একটু তাড়াতাড়িই গোসল করার চেষ্টা করছিলাম। যারা প্রথম খণ্ড পড়েছেন তারা অবশ্যই বুঝে গেছেন। রিঝুক ঝর্ণা থেকে আসার পর জাইন সম্ভবত গোসল করতে ঢুকেছিল। বাকিরা সারাদিনের ভ্রমণ নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ শুরু করলো। এদিকে সামি যে কখন সামনের বারান্দা খুলে যে সামনের হিলটন হোটেলের দিকে লক্ষ্য রাখছিল আমরা কেউ খেয়াল করি নি। হঠাৎ সে এসে বললো, “ভেরোনিকা তো তাদের আশেপাশের রুমে যারা আছে তাদের সবাইকে ‘হাই’ দিয়ে বেড়াচ্ছে।” আমরা অবাক হলাম না। বিদেশিনীদ্বয়ের ঢিলা স্বভাবের পরিচয় আমরা নৌকাতেই পেয়েছি। গোসল শেষ হলে ক্যামেরা হাতে আমরা বের হলাম বান্দরবান শহর ঘুরে দেখতে। তাছাড়া পাহাড়ে উঠার বিশেষ স্যান্ডেলও কিনতে হবে। স্যান্ডেল পাওয়া গেল, শুধু আমার পায়ের মাপের স্যান্ডেল পাওয়া গেল না। এদিকে বান্দরবানে স্যান্ডেল পাওয়া যাবে এই ভেবে আমি কে...